বাসা বদলাবেন – জেনে রাখুন!

জীবনধারণের জন্য আমাদের অনেককেই গ্রামের বাড়ি ছেড়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় এসে ভাড়াবাড়িতে উঠতে হয়। আর তাই প্রায়ই করতে হয় বাসা বদল। বাসা বদল মানেই ঝক্কি-ঝামেলা। একগাদা জিনিসপত্র আনা-নেয়া। তবে কিছু বিষয় মাথায় রেখে বাসা বদল করলে অনেক ঝামেলা সহজেই এড়ানো যায়। যেমন—

* খুব প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করুন। তালিকা মিলিয়ে সব জিনিস একসঙ্গে প্যাকেট করুন। খুব ভালো হয় প্যাকেটের ভেতরে রাখা প্রতিটি জিনিসের নাম প্যাকেটের গায়ে লিখে রাখলে বা একটা কাগজে লিখে প্যাকেটের সঙ্গে আটকে দিলে। আর যদি কাগজের টুকরোটা খুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে ‘এক নম্বর, দুই নম্বর’ করে প্যাকেটের নাম্বারিং করে রাখুন। কোন প্যাকেটে কী রাখছেন, তা একটি নোটবুকে লিখে রাখুন, তাহলে আর জিনিসটা খুঁজে পেতে সব প্যাকেট খোঁজা লাগবে না। প্রয়োজনভেদে প্যাকেট তৈরি করুন।

* মশারি, বিছানার চাদর, বালিশের কভার এক প্যাকেটে রাখুন, অর্থাৎ ক্যাটাগরি ভাগ করে নিন। তাহলে সহজেই অনেক জিনিস একসঙ্গে পাবেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো এক প্যাকেটে রাখুন, তা না হলে প্রয়োজনের সময় খুঁজে পাবেন না।

* ম্যাচ, কয়েল, মোমবাতি বা চার্জার লাইট, হাতপাখা, ছাতা—এগুলো আলাদা করে নিন। প্রয়োজনের সময় এগুলো খুঁজে পাওয়া যায় না। আর ইলেকট্রিক কাজ শেষ করতে একটু সময় লাগে, তাই হাতপাখা, মোমবাতি বা চার্জার লাইট, কয়েল, ম্যাচ—এগুলো প্রায়ই কাজে লাগে। আর ইলেকট্রিক লাইন ঠিক থাকলে বাসায় ওঠার পর প্রথমেই ফ্যান ও লাইট লাগিয়ে নিন। তাহলে অস্বস্তিতে পড়তে হবে না।

* বাসা বদলের ঝামেলায় মোবাইলটা ভুলেও সাইলেন্ট করে রাখবেন না, তাতে মোবাইল হারানোর ভয় থাকে। আর খুব প্রয়োজন না হলে সব মোবাইল ও চার্জার একটা ব্যাগে রেখে লক করে রাখুন। নানা ব্যস্ততায় মোবাইল আপনার কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। তবে মোবাইল অফ করলে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের আগেই জানিয়ে রাখুন—আজ আপনার ফোন বন্ধ থাকবে। আর মোবাইলে ফুল চার্জ দিয়ে রাখুন, বলা যায় না নতুন বাসায় ইলেকট্রিক প্রবলেম দেখা দিতেই পারে।

* সব কাজই একটু গুছিয়ে করলে সহজ ও সুন্দর হয়। তাই তাড়াহুড়া না করে ধীরে-সুস্থে হাতে সময় নিয়ে সব জিনিস আগে থেকে প্যাক করা শুরু করুন, দেখবেন বাসা বদলানোকে আর ঝক্কি-ঝামেলা মনে হবে না।

* টাকাপয়সা, মূল্যবান জিনিসপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আলাদ করে সাবধানে রাখুন।

বাসার সব জিনিসপত্র গোছানো হয়ে গেলে সবশেষে গ্যাসের চুলা খুলে নেবেন। আর বাসায় ওঠার পর সবকিছু করার আগে গ্যাসের চুলা লাগিয়ে নিন।

সংগৃহিত: সামহোয়্যার ইন ব্লগ

Read more
Shifting Service Dhaka

বাসা বদল – সহজ টিপস

নিঃসন্দেহে বাসা বদল করে নতুন বাসায় স্থানান্তর হওয়া একটি জটিল এবং কঠিন কাজ। এক্ষেত্রে যেমন সময় খরচ হয় তেমনি শক্তিও খরচ হয় প্রচুর আর আর্থিক বিষয়টা কখনোই বাজেটের ভেতর থাকে না। কিন্তু কিছু নিয়মের ভেতর দিয়ে গেলে কিছুটা সহজতা আসতে পারে।

বাসা পাল্টানো যেমন ভীষণ ঝামেলার কাজ, তেমনি আবার আনন্দেরও বটে। আনন্দ হলো নতুন বাসায় সবকিছু নতুন করে গুছিয়ে নেয়া। কিন্তু এক বাসার জিনিসপত্র অন্য বাসায় নিয়ে যাওয়াটা বেশ কষ্টদায়ক।

এক্ষেত্রে যেমন সময় খরচ হয় তেমনি শক্তিও খরচ হয় প্রচুর আর আর্থিক বিষয়টা কখনোই বাজেটের ভেতর থাকে না। কিন্তু কিছু নিয়মের ভেতর দিয়ে গেলে কিছুটা সহজতা আসতে পারে। তবে সহজ কিছু উপায়ে পুরাতন বাসার মালামাল নতুন বাসায় নিয়ে যেতে পারেন।

জেনে নিন ঘর পাল্টানোর সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন-

বাসা বদলের আগে অনেকগুলো বড় কাগজের বাক্স কিনে আনুন। যখন বাক্সে ঘরের জিনিস ভরে ফেলবেন, তখন এর ওপরে নাম লিখে ফেলুন। যাতে খোলার সময় সহজেই বুঝতে পারেন কোন রুমে রাখবেন এবং কী কী রাখবেন।

বাসা যদি নিজের হয়, তাহলে বাসাটি যখন পুরোপুরি তৈরি হবে তখনই সেই বাসায় যাওয়ার চেষ্টা করুন। অনেক সময় দেখা যায়, কোনো একটা রুমের রং করা বাকি আছে কিংবা একটি বাথরুমে এখনো সব কল লাগানো হয়নি অথবা বসার ঘরের সিলিং এখনো শেষ হয়নি এমন অবস্থায় কেউ কেউ নতুন বাসায় উঠে যান। এতে মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এত দিন যেহেতু অপেক্ষা করেছেন, আর না হয় কয়টা দিন বেশি অপেক্ষা করুন। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে নতুন বাসায় উঠুন।

একেক রুমের মালামাল একেকটি বাক্সে ভরে ফেলুন। তাহলে নতুন ঘর গোছানোর সময় সবকিছু হাতের কাছে পাবেন, আর ঝামেলাও কম হবে।

নতুন বাসায় প্রথমেই সব রুমের খাটগুলো লাগিয়ে ফেলুন। কারণ এর ওপর কাপড় রেখে আলমারি অনেক দ্রুত গোছাতে পারবেন।

কাচের মালামালগুলো নিজেই বহনের চেষ্টা করুন। নতুবা মাল টানার লোকদের কাছে দিলে ভেঙে ফেলতে পারে। এমনকি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, গয়না ও টাকা-পয়সাও নিজের কাছেই রাখুন। এতে হারানোর আশঙ্কা থাকবে না।

আপনার ঘরে অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আপনি দান করে দিতে পারেন বাসা বদল করার সময়। বাচ্চার ভাঙ্গা খেলনা, নষ্ট হয়ে যাওয়া হাড়ি পাতিল, পুরনো ছেড়া জামা কাপড়, পুরনো জুতো, ব্যাগ ইত্যাদি অনেক কিছুই থাকে ঘরে যা আমাদের আর কোন কাজে আসবে না। সেই জিনিসগুলো গরিবদের দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এতে করে ঘর ও একটু জঞ্জাল মুক্ত হয় এবং বাসা বদল করার সময় বোঝাও একটু কমে।

এ সব কাজে তাড়াহুড়ো না করে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করতে হবে। তাড়াহুড়োর ফলে জিনিসপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী ঘরের জিনিসপত্রের দায়িত্ব ভাগ করে নিলে পুরো ব্যাপারটা আরো সুবিধার হয়। যেমন কেউ একজন রান্নাঘরের জিনিসপত্রের দায়িত্ব নিল, কেউ একজন বেডরুমের। বাসা পাল্টানো কাজটা ঝামেলা দায়ক বিধায় এ সময় মাথা অল্পতেই গরম হয়ে যেতে পারে তাই মাথা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করতে হবে। আমাদের বুঝতে হবে, রেগে গিয়ে হেরে গেলে তো চলবে না। ঠাণ্ডা মাথায় সমস্যার সমাধান করতে হবে।

সংগৃহীত: সময়ের কণ্ঠস্বর

Read more
Moving Service Dhaka

বাসা বদল – কঠিন হিসেব

বিবাহিত জীবনে ১০ বছরের মধ্যে ছয়বার বাসা বদল করে ফেলেছেন মিলি। স্বামী সরকারি চাকরিজীবী। এ জন্যই তাদের কয়েক বছর পর পর বাসা বদল করতে হয়েছে। বাসা বদল মানে শুধু যে জিনিসপত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদল তা নয়, পুরো সংসার নতুন করে পাততে হয়। তাই বাসা বদলের কথা শুনলেই বাড়ির গিনি্নদের মাথায় যেন বাজ পড়ে। অনেকেই আবার অগি্নশর্মা হয়ে যান। প্রথমেই রাগ না করে ব্যাপারগুলো বোঝার চেষ্টা করতে হবে। স্বামী-স্ত্রী দু’জনের ভেতর পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কঠিন কাজও সহজেই সম্পন্ন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বাসা বদলও ব্যতিক্রম কিছু নয়।

প্রথমেই দেখতে হবে বদলি কোথায় হয়েছেন, সেখানে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা আছে কি-না, অফিসে থাকার বন্দোবস্ত আছে কি-না অথবা কত দিনের জন্য সেখানে যাওয়া হচ্ছে। যদি আপনি চাকরিতে নতুন হন, তবে স্বামীর পোস্টিংয়ের জায়গায় চাকরির জন্য দরখাস্ত করতে থাকুন। কিংবা সেখানে আপনার উপযুক্ত অন্য কোনো নতুন চাকরি খুঁজতে চাইলে ইন্টারনেটের সাহায্যে খুব সহজেই খুঁজে দেখতে পারেন। এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি থেকেও সাহায্য পেতে পারেন। সমস্যা প্রকট হয় যদি সামনেই আপনার কোনো প্রমোশনের সুযোগ থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনার স্বামীর ট্রান্সফার কিছুদিনের জন্য স্থগিত করার আবেদন করে দেখতে পারেন। যদি তা না হয়, শেষ পর্যন্ত একটা সিদ্ধান্তে আপনাদের আসতেই হবে। কিছুদিন একা থেকে প্রমোশনটা নিয়ে নিন। প্রমোশন না নিলে তা আপনাকে বিষণ্নতায় ভোগাতে পারে, যা পরবর্তীকালে আপনাদের সংসার জীবনেও সৃষ্টি করতে পারে মনোমালিন্য। তাই এসব ব্যাপারে প্রথম থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করুন।

বদলি যেখানেই হোক না কেন, চেষ্টা করতে হবে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ কাউকে সঙ্গে নিতে। কারণ, তাদের পরামর্শ নতুন জায়গায় কাজে লাগে অনেক ক্ষেত্রেই। নতুন জায়গায় আপনি আপনার সন্তানকে একা বাসায় রেখে যেতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বাসার বড় কেউ থাকলে আপনি স্বস্তিমতো কাজে যেতে পারবেন।

এখন আসা যাক ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার ব্যাপারে। ছেলেমেয়েরা বড় ক্লাসে থাকলে টার্মের মাঝখানে জায়গা বদলিতে পড়াশোনায় ক্ষতি হতে পারে। আবার হঠাৎ করে জায়গা বদলির ফলে তাদের নতুন জায়গায় নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার একটা বিষয় তো রয়েছেই। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে স্কুল বদল বা নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি কিছুটা সহজ। কিন্ডারগার্টেনগুলোতে যে কোনো সময় ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনোভাবেই ইয়ার লস না হয়। যদি একান্তই বাচ্চাদের নিয়ে যাওয়া সম্ভব না হয়, তবে বিশ্বস্ত কারও কাছে রেখে যেতে হবে। দাদা, দাদি, নানা, নানি, চাচা, মামারা সহযোগিতা করতে পারে।
যদি হোস্টেলে বাচ্চাদের রাখতে হয়, তবে সব সময় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। তারা যেন কখনই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে। তাদের সঙ্গে বসেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাদের বুঝতে দিতে হবে, তাদের ছাড়া আপনাদেরও কষ্ট হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে তাদের যেন মানসিক কোনো চাপ বা পড়াশোনায় যেন ক্ষতি না হয়। প্রতি মাসে শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন তাদের অবস্থা। তা ছাড়া তারা কোথায়, কখন যাচ্ছে তার খোঁজখবর রাখা উচিত। তাদের থেকে দূরে থাকলেও বোঝাতে হবে আপনারা সব সময় তাদের সঙ্গেই আছেন।

বাসা বদলানোর এক মাস আগে থেকে কিছু কিছু করে প্রস্তুতি নিতে হবে। তাহলে হঠাৎ করে কাজের ঝামেলা হবে না।
ডিশ, ইন্টারনেট ও ফোন বাসা বদলানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগেই আপনার স্যাটেলাইট, ইন্টারনেট ও ল্যান্ডফোনের অফিসে যোগাযোগ করে নতুন ঠিকানা জানিয়ে দিন। তাহলে নতুন বাসায় গিয়ে ডিশ, ইন্টারনেট বা ফোনের সংযোগ পেতে অযথা ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।

ভ্যান-পিকআপ-ট্রাক ভাড়া : বাসার জিনিসের পরিমাণ অনুমান করে আগেই কোনো বিশ্বস্ত জায়গা থেকে ভ্যান বা পিকআপ ভাড়া করে রাখুন। না হলে শেষ মুহূর্তে ভ্যান পেতে সমস্যা হতে পারে। বাসা দূরে বা এক শহর থেকে অন্য শহরে বাসা বদলালে ট্রাক ভাড়া করে নিলেই সুবিধা। ভ্যান, পিকআপ ভ্যান কিংবা ট্রাক_ যেটাই ভাড়া করে থাকেন, আগে থেকে তাদের বাসা বদলানোর সময় ও বর্তমান বাসার ঠিকানা জানিয়ে দেবেন। বাসা বদলানোর আগের দিন রাতে ফোন দেবেন, ঠিক সময় যেন এসে পড়ে।

নতুন বাসা পরিষ্কার : নতুন বাসায় ওঠার আগেই দরজা-জানালার পর্দার মাপ নিয়ে পর্দা সেলাই করিয়ে ফেলতে হবে। বাসায় ধুলাবালি থাকলে জিনিসপত্র নেওয়ার আগে সেগুলো পরিষ্কার করিয়ে নিন। রঙ করার প্রয়োজন হলে বাড়ির মালিককে আগেই জানিয়ে দিন।

প্যাক করুন : আগে থেকে বাক্স বা কার্টনের ব্যবস্থা করতে হবে জিনিসপত্র গোছানোর জন্য। বাক্সের গায়ে লেভেল করা যেতে পারে। এতে সহজেই চেনা যাবে কোন বাক্সে কী আছে। আগে থেকে ঠিক করে রাখলে ভালো হয় কোন বাক্স কোন ঘরে যাবে। যেসব জিনিস খুব সহজে ভেঙে যেতে পারে, তা আলাদাভাবে প্যাক করতে হবে। দামি শোপিস বা ফুলদানি তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে মুড়ে নিলে ভালো হয়। হাতের কাছে খবরের কাগজ, টিস্যু, টেপ রাখলে ভালো হয়। এতে প্যাকেট করতে সুবিধা হবে। মূল্যবান গয়না, টাকা কিংবা দলিল নিজের হাতব্যাগে রাখতে হবে। এগুলো অন্য মালপত্রের সঙ্গে দিলে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। ওষুধপথ্য আগে থেকে আলাদা করে রাখা ভালো।

রান্নাঘর সামলে নিন : বাসা বদলানোর এক সপ্তাহ আগে থেকেই ধীরে ধীরে ফ্রিজ খালি করা শুরু করুন। ফ্রিজের কাঁচাবাজারগুলো রান্না করে ফেলুন। সহজে নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো খাবারগুলো খেয়ে ফেলুন আগেই। বাসা বদলানোর আগের দিন একবারে বেশি করে রান্না করে ফেলতে হবে। যেদিন বাসা বদলাবেন, সেদিন রান্নাবান্না করার সময় পাওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে এমন খাবার বানিয়ে নিন, যেগুলো বেশিক্ষণ ভালো থাকে এবং নতুন বাসায় গরম করে খেতে সুবিধা হবে। বাসা বদলানোর আগের দিন খাওয়ার পানিও ফুটিয়ে নিন বেশি করে। কারণ, নতুন বাসায় গিয়ে চুলা লাগাতে কিছু সময় লাগতে পারে।

বাসা বদলানোর দিন : নতুন বাসায় জিনিসপত্র তোলার সময় বলে দিন কোন জিনিস কোন রুমে যাবে। এভাবে একবারেই আসবাবপত্রগুলো জায়গামতো বসিয়ে নিলে ঝামেলা কমে যাবে। এবার ধীরে ধীরে সাজিয়ে-গুছিয়ে নিন আপনার নতুন বাসা।

সবকিছু মিলিয়ে প্রথম থেকেই সব প্রস্তুতি শেষ করে ফেলতে হবে যেন শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করতে না হয়।

সংগৃহীত : শৈলী (সমকাল)

Read more